পদ্মা সেতুর ৩৬তম স্প্যান বসতে পারে আজ (০৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার কিংবা আগামীকাল শুক্রবার (০৬ নভেম্বর)।
স্প্যানটি স্থায়ীভাবে বসানো গেলে দৃশ্যমান হবে পদ্মা সেতুর ৫ হাজার ৪০০ মিটার।
অনুকূল আবহাওয়া আর কারিগরি জটিলতা দেখা না দিলে ‘ওয়াব-বি’ নামের স্প্যানটি বসানো হবে সেতুর মাওয়া প্রান্তের ২ ও ৩ নম্বর পিলারের ওপর।
গেলো মাসে পদ্মাসেতুতে চারটি স্প্যান বসানো হয়েছে যা প্রকৌশলীদের বড় একটি সাফল্য। চলতি মাসেও চারটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা আছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনের মাধ্যমে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটি বহন করা হবে। এরপর সেখান থেকে রওয়ানা দিয়ে নিয়ে যাবে নির্ধারিত পিলারের কাছে। সেখানে অবস্থান করে সবকিছু ঠিকঠাক তাহলে বৃহস্পতিবারই বসিয়ে দেওয়া হবে। যদি স্প্যান বসানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় না পাওয়া যায় তাহলে শুক্রবার পিলারের ওপর স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হবে। ঠিক এমন পরিকল্পনা প্রকৌশলীদের। এই সংক্রান্ত একটি চিঠিও ইস্যু হয়েছে।
৩৬তম স্প্যানটি বসানো হলে পদ্মা সেতুর ৫৪০০ মিটার দৃশ্যমান হবে। এর আগে অক্টোবর মাসের ১১ তারিখ ৩২তম স্প্যান, ১৯ তারিখ ৩৩তম স্প্যান, ২৫ তারিখ ৩৪তম স্প্যান ও ৩১ তারিখ ৩৫তম স্প্যান বসানো হয়েছে। নভেম্বর মাসেও ৪টি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান এই প্রকৌশলী।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হলো ৩৫টি স্প্যান। প্রতিটি স্পেনের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে।
এমবি





