পাহাড়ি ঢলের কারনে নদীর পানি বেড়ে চট্টগামের ১৩ উপজেলার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় চলাচলেও দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানায়, চট্টগামে ১৫ উপজেলার মধ্যে ১৩ উপজেলা ক্ষতির পরিমাণ বেশি। আর বাকি উপজেলা গুলোর প্রায় ২০ শতাংশ পানির নিছে তয়ে গেছে।
বেশি ক্ষতি হওয়া উপজেলা গুলো হচ্ছে, সীতাকুণ্ড, ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, হাটহাজারী, বোয়ালখালী, কর্ণফুলী ও লোহাগাড়া।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও ফটিকছড়ি উপজেলা। এরপর রাউজান উপজেলা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সন্দ্বীপ এবং মীরসরাইয়ে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হলেও সেভাবে মানুষ পানিবন্দি নেই বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের কাছে থাকা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৩টি উপজেলায় বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সব উপজেলায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ এলাকা এফেক্টেড হয়েছে। কিন্তু ১৩টি উপজেলায় বেশি। চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার পুরো অংশজুড়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ফটিকছড়ি এবং রাউজানে পানির পরিমাণ অনেক বেশি।
জেলা প্রশাসনের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের তিনটি নদীর পানি গত চারদিন ধরে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর মধ্যে হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানি বিপৎসীমা থেকে নেমে গেছে। সাঙ্গু নদীর পানি এখনো বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪৭ সেন্টিমিটার এবং দোহাজারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার প্রায় সব গ্রামই প্লাবিত হয়েছে।
এসএম





