একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে ৯০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের মৃত্যুতে রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। পথে পথে দেখা মিলেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সদস্যদের সরব উপস্থিতি।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো ঘুরে এমনটাই দেখা যায়। বিশেষ করে গণভবনের আশপাশের এলাকা থেকে শুরু করে ফার্মগেট, বাংলামটর, শাহবাগ, হাইকোর্ট, পল্টন এবং কাকরাইল, রামপুরা এলাকায় জলকামানসহ অত্যাধুনিক সাজোয়া যান নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়।
সরকারি ছুটির দিনে হঠাৎ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অবস্থান বেশ দুশ্চিন্তায় ফেলেছে রাজধানীবাসীকে। বিশেষ করে গোলাম আযমের মৃত্যুর খবর এখনো যারা পাননি এমন মানুষকে। কথা হয় এমনই একজন ফারুক হোসেনের সঙ্গে। চাকরি করেন বীমা কোম্পানীতে। তিনি বলেন, ‘আমি তো বুঝতেই পারছিলাম না যে আজ রাস্তায় এতো পুলিশ কেন? পরে দোকানদারের কাছ থেকে জানতে পারলাম গোলাম আযম মারা গেছে, তাই রাস্তায় এতো পুলিশ।
সকাল ৭টার কিছু পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গ থেকে গোলাম আযমের মরাদেহ ময়না তদন্ত শেষে মগবাজারের কাজী অফিস গলির নিজ বাসায় নিয়ে যান তার বড় ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (বরখাস্ত) আবদুল্লাহিল আযমী।
গোলাম আযমের ময়না তদন্ত করেছেন ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক আবুল খায়ের ও প্রদীপ।
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে রাত ১০টা ১০ মিনিটে মারা যান গোলাম আযম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
জেআই





