নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বিশিয়া, কনৌজ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শ্রেণীকক্ষ সংকটের কারণে মাটি ও টিনসেডের ভবনে একই ক্লাসে গাদাগাদি করে চলছে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান। শ্রেনীকক্ষ না থাকার কারনে স্কুলে ঝুঁকিপূর্ন ভবনে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক কষ্টে তাদের শিক্ষা নিতে হচ্ছে। আবার অপর দিকে সব চেয়ে অবহেলিত রাণীনগর উপজেলার শেষ প্রান্তে বড়খোল উচ্চ বিদ্যালয় বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ও নলকুপ নেই।

জানা যায়, বিশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২৮ জন ছাত্র-ছাত্রী, কনৌজ আদর্শ ১৭০ জন, বড়খোল ২৮০ জনসহ সব স্কুলে উপস্থিতি অবস্থান ভালো। সরেজমিনে দেখা যায় উক্ত ৩টি স্কুলসহ আরো অনেক স্কুল দীর্ঘ দিন ধরে ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরে আছে কোন স্কুলে মাটির ও টিনসেডের ভবন রয়েছে আবার কোন স্কুলে শ্রেণীকক্ষ সংকট রয়েছে। তাই স্কুল সংষ্কারের অভাবে এই উপজেলার শিক্ষার মান দিনদিন কমে যাচ্ছে। কোন স্কুলে সরকারী অনুদান আসে আবার কোন স্কুলে আসেনা। উক্ত ৩টি স্কুলই এম,পি,ও ভুক্ত। কোন স্কুলে বর্ষাকালে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করার সময় ফুটো টিনের ফাক দিয়ে পরে বৃষ্টির পানি। কিন্তু বর্তমানে এই স্কুল গুলো মানসম্পন্ন অবকাঠামো ও আসবারপত্র সংকটের কারণে অনেকটা নিরুপায় হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে অনেক আগের ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষেই গাদাগাদি করে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে শিক্ষকরা। তথ্য প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে এই স্কুল গুলোর অবকাঠামো দেখার যেন কেউ নেয়।

উক্ত স্কুলগুলোর প্রধান শিক্ষকরা জানান, বর্তমানে প্রত্যন্ত এলাকার এই বিদ্যাপিঠ অবকাঠামো সহ নানা সমস্যায় জর্জড়িত। কক্ষ সংকটের কারনে বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূণ ভবনের একই ক্লাসে গাদাগাদি করে পাঠগ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। কক্ষ সংস্কার করতে না পারাই আমদের স্কুল গুলোর শিক্ষার মান দিনদিন কমে য়াচ্ছে। তাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম এম,পিসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-নজর কামনা করছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এই স্কুল গুলোর ছাত্র-ছাত্রী অধিক সেই তুলনায় শ্রেণী সংকট ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। তাই অতিশিঘ্রই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ভবনের বরাদ্দ হলে বা ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কার করা হলে এই স্কুল গুলোর শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে।

এমই/আওরঙ্গজেব