প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে এ ভোটগ্রহণ, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ভোট দিতে কুয়াশা ও শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছেন সাধারণ ভোটাররা। তবে শীতের কারণে সকালে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেলটা সাড়ে ১১টা নাগাদ কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সংখ্যাও বাড়ছে। 

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষায় তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ভোর থেকেই রাস্তায় রাস্তায় বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের টহল লক্ষ্য করা গেছে। ১৯৩টির মধ্যে ১২৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচনে ৩৬ প্লাটুন বিজিবি, ৫ হাজার পুলিশ, দুই হাজার ৭শ আনসার সদস্য, সিটির ৩৩টি ওয়ার্ডে ৩৩টি মোবাইল টিম এবং ৩৩টি র‌্যাবের টিম রয়েছে। এছাড়াও ১৬টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। পুরো এলাকায় বসানো হয়েছে ৮টি চেকপোস্ট।

নির্বাচনে ইতোমধ্যে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা। সকাল পৌনে ৯টার দিকে নগরীর ২৯নং ওয়ার্ডের মাহিগঞ্জের দেওয়ানটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান করেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা।

সকাল ৯টার ২৫ মিনিটে ২১নং ওয়ার্ডের আলমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

অপরদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর ২৪নং ওয়ার্ডের সলেমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু।

নির্বাচনের যেকোন ফলাফল মেনে নেবেন বলে সবাই আশা ব্যক্ত করেন। তবে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের কয়েকটি কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া এবং ঢুকতে না দেয়া অভিযোগ করা হয়েছে।