ইউপি নির্বাচনে সারাদেশের প্রায় সব ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রশাসনের সহযোগিতায় কেন্দ্র দখল ও ব্যালটে প্রকাশ্যে সীল মারাসহ ত্রাসের রাজত্ব চালিয়েছে। অথচ আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে কয়েকজন বিএনপি নেতা সিইসির সঙ্গে সাক্ষাত করে মাত্র ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে পুনঃনির্বাচন দাবি করেছেন।
নোমানের এমন কর্মকাণ্ডে সারাদেশের বিএনপি নেতা-কর্মীরা প্রচণ্ডভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তারা মনে করছেন, এটা বিএনপির জন্য এক ধরনের সাবোট্যাজ কিনা?
এর কারণ, ৫০টি ইউপিতে পুনঃনির্বাচন দাবি করার অর্থ দাঁড়ায়, বাকি সব ইউপিতে সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকারি দলের এমন ন্যক্কারজনক অপকর্ম জায়েজ করার মিশন নিয়েই কী বিএনপির এই নেতারা মঙ্গলবার সিইসির সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেছেন, এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। তারা আবদুল্লাহ আল নোমানসহ কতিপয় বিএনপি নেতার এমন ভূমিকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার আবদুল্লাহ আল নোমান যখন টেলিভিশনের সামনে ৫০টি ইউপিতে পুনঃনির্বাচনের দাবি করছিলেন, এটা দেখে অবাক হয়েছেন সারাদেশের বিএনপি নেতা-কর্মীরা। কেন নোমান এমন বক্তব্য দিচ্ছেন, এ প্রশ্ন ছিলো সবার মুখে মুখে। তাহলে অন্য যেসব এলাকায় দখলের রাজত্ব চলছে, সেই এলাকাগুলোর ভোটারদের কী বিএনপি নেতারা ‘ডড়হ’ করেন না?
বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মী ছাড়াও শুভানুধ্যায়ীদের অনেকের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে। সবারই প্রায় একই কথা, সরকারকে ভোট ডাকাতির সমালোচনা থেকে রক্ষা করতেই নোমানসহ কতিপয় নেতা সিইসিতে গিয়ে এমন ভূমিকা রেখেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গত ১৯ মার্চ কাউন্সিল অধিবেশনে বক্তব্যদানকালে নাম উল্লেখ না করে কিছু নেতাকে ‘বেঈমান নেতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এরা সেই কাতারের কিনা, সেই প্রশ্ন রেখেছেন কেউ কেউ।
এমই





