রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৪ ভুয়া ডিবি পুলিশ ও ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সোমরার রাতে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, মাইক্রোবাস ও উদ্ধার কমরা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার মাহমুদ নাছের জনি। তিনি জানান, প্রাইভেটকার যোগে একদল যুবক ডাকাতি করার জন্য যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইলস্থ মা ও শিশু মেডিকেল ইনষ্টিটিউটের সামনে ওভার ব্রীজের নীচে দক্ষিণপাশে রাস্তার ওপর অবস্থান করছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জাকির হোসেন ওরফে সুমন(২৭), আবুবক্বর সিদ্দিক ওরফে রনি(২৮), আলামিন(৩২), ও ইকবাল হোসেন(২৫)কে  গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে ব্যবহৃত হ্যান্ডকাফ চাপাতি, ছোরা ও ০২টি গাড়ী নোয়া মাইক্রোবাস ০১(এক) টিযাহার রেজিঃনং- ঢাকা মেট্রো-চ-৫১-৪৬৬৪প্রাইভেট ০১টি কারযাহার রেজিঃ নং ঢাকা মেট্রো-গ-১২-৩৩৫১ উদ্বার করা হয়।

তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আঃ বারেক(৪৫), আলমগীরগাজী (৪৩), জীবন(৪০), মোস্তফা (৩৩),সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীরা সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা ডাকাত দল ও ভুয়া ডিবি পুলিশের সক্রিয় সদস্য। পলাতক বারেক, আলমগীর গাজী এই চক্রের মুল হোতা।

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে দীর্ঘ প্রায় ৪/৫বছর যাবৎ ঢাকা মহানগরসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলা ডাকাতি করে আসছে। ইতিপুর্বেও একাধীকবার তারা গ্রেফতার হয়েছিল। তাদের প্রায় প্রত্যেকের নামেই যাত্রাবাড়ী, বনানী, শাহআলী ও কাফরুল থানায় মামলা রয়েছে।

অপর এক অভিযানে গত ১৮ আগস্ট দিনগত রাতে খিলগাঁও থানাধীন নন্দীপাড়া ফারুকের 'স' মিলের সামনে  হতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আনিসুজ্জামান জনি(৩০),নুরুজ্জামান ওরফে নুরু(৩২), সুমন ভুইয়া(৩০) নামের ডাকাতদের আটক করা হয়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শাহজাহান, শিপন, সেন্টু, হাসান, জলিল ও মাসুমসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন ডাকাত পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তারা প্রায়ই গভীর রাত্রে দেশীয় অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত স্থানে ডাকাতি করতো। গ্রেফতারকৃত ও পলাতকআসামীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে খিলগাও থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

ঢাকা, জেইউ, ১৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর