বঙ্গোপসাগর ৪ দিন ধরে উত্তাল রয়েছে। কয়েকদিন ধরে পায়রা সমুদ্র বন্দরসহ উপকুল অঞ্চলে ৩ নম্বর সর্তকতা সংকেত জারি করেছের আবহাওয়া অফিস।

যার কারণে গভীর সমুদ্রে সকল মাছ ধরারত ট্রলার মহিপুর-আলীপুর মৎস্যবন্দর সহ উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন প্রেতাশ্রায় নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। দূর্যোগপূর্ন ও বৈরী আবহাওয়া, থেমে থেমে ভারী বর্ষনে কুয়াকাটাসহ সমুদ্র উপকুলীয় এলাকার মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে।

অন্যদিকে ভারী বর্ষন ও জোয়ারের অতিরিক্ত পানিতে কুয়াকাটা-কলাপাড়া মহা সড়কের ফেরির গ্যাং ওয়ে তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার সাময়িক বিপর্যয় ঘটেছে।

এ ছাড়া কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়ন,লালুয়া ইউনিয়নের ভাঙ্গা বেঁরীবাধ দিয়ে পানি ঢুকে বাড়িঘর,ফসলি জমি,স্কুল মাদ্রাসা তলিয়ে গেছে। অপরদিকে বৈরী আবহাওয়ার মাঝেও উপকূল ভাগের খুটা জেলেরা সমুদ্রে প্রচুর পরিমান ইলিশ ধরা পরায় এ নিষেধাজ্ঞা মানছে না।

মহিপুর মৎসবন্দর আড়ৎদার সমিতির সাধারন সম্পাদক নিমাই চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান,দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়ার খবরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা কয়েক শত ট্রলার গত রোববার থেকে আলীপুর-মহিপুর বন্দরে এসে নিরাপদে আশ্রয়ে নিয়েছে।

এ ছাড়া আরও শত শত মাছ ধরা ট্রলার ভোলা,গলাচিপা,পাথরঘাটা সহ উপকুলীয় এলাকার ছোট ছোট নদ নদীতে গিয়ে আশ্রয়ে রয়েছে বলে তিনি আরো জানান।

কলাপাড়া আবহাওয়া সুত্রে জানান,পায়রা সমুদ্রবন্দর সহ বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর সর্তক সংকেত এখনও বলবদ রয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল মাছ ধরা ট্রলার গুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার জন্য বলা হয়েছে।

এসএইচ