বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সংক্ষিপ্ত খুতবায় জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়া আজকে মুসল্লিদের উপস্থিতিও ছিল কম। জুমার ফরজ নামাজের পরই ফাঁকা হয়ে যায় বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) জুমার নামাজে দেশের সব মসজিদে বাংলা বয়ানকে নিরুৎসাহিত করে শুধুমাত্র সংক্ষিপ্ত খুতবা ও ফরজ নামাজ পড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
পাশাপাশি নামাজের সময় কাতারে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি। এছাড়া বয়স্ক মুসল্লিসহ যেকোনো বয়সীদের যাদের হাঁচি-কাশি, জ্বর কিংবা গলাব্যথা রয়েছে তাদেরকে জুমাসহ সব নামাজ বাসায় পড়তে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো রোগে আক্রান্তদের মসজিদে না যাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
সবাইকে অপরাধমূলক কাজকর্ম থেকে বিরত হয়ে ব্যক্তিগতভাবে তওবা, ইস্তিগফার ও কোরআন তিলাওয়াত অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানানো হয়।
শুক্রবার দেখা যায়, বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজের জন্য চিরচেনা দৃশ্য নেই। বাসায় ওজু করে সুন্নত-নফল পড়ে মসজিদে আসতে বলায় এবং জ্বর, সর্দি-কাশি থাকলে মসজিদে না আসার নির্দেশনার কারণে মসজিদে মুসল্লিদের সমাগম ছিল খুবই কম। হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে মুসল্লিদের হাত ধোয়ানো ও হ্যান্ড টাওয়াল (টিস্যু) সরবরাহ করা হয়।
করোনা সতর্কতায় অধিকাংশ মুসল্লিকেই দেখা যায় দূরত্ব বজায় রেখে মসজিদে প্রবেশ, বেরিয়ে যাওয়া এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় হাত মোজা ও মাস্ক ব্যবহার করে মসজিদে আসছেন।
বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত খতিব মুফতি মাওলানা এসানুল হক জিলানী। বাংলা খুতবা ছাড়াই সংক্ষিপ্ত আরবি খুতবায় ফরজ নামাজ শেষেই মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৫ জন করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে।
এমবি





