চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কোকেন আমদানির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার হওয়া নূর মোহাম্মদের রিমাণ্ড শুনানিতে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম রহমত আলী এ আদেশ দিয়েছেন। আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ১ ফেব্রুয়ারি রিমাণ্ড শুনানির সময় নির্ধারণ করেছেন।
নূর মোহাম্মদকে এর আগে একবার তিনদিনের রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা র্যাব। এরপর শনিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আবারও তিনদিনের রিমাণ্ডে নেয়ার আবেদন জানায় র্যাব। আদালত সোমবার শুনানির সময় নির্ধারণ করেছিল।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান বলেন, শুনানিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাজির না থাকায় আদালত ১ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী সময় নির্ধারণ করেছেন। ওইদিন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে হাজির থাকতে বলেছেন আদালত।
নগর পুলিশের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে তরল কোকেন সন্দেহে গত ৬ জুন রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার বন্দরে সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সানফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত ল্যাবে কেমিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ২৭ জুন শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর জানায়, কেমিক্যাল পরীক্ষায় একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
২৮ জুন নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১(খ) ধারায় জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ ও সোহেলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পরবর্তীতে চোরাচালানের ধারায় আরও একটি মামলা দায়ের হয়।
মাদক আইনের মামলা তদন্ত করে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করলেও এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের মালিক নূর মোহাম্মদের নাম না থাকায় সেটি গ্রহণ করেননি আদালত। মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য র্যাবকে দায়িত্ব দেন আদালত। তদন্তের শুরুতে গত ১৫ জানুয়ারি র্যাব নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে।
এমকে





