রাজশাহী মহানগরীর ফল গবেষণা কেন্দ্রে আমের মুকুল ও গুটি ঝরে পড়া রোধে টেকসই ব্যবস্থাপনা বিষয়ক শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র (কেজিএফ) এর সৌজন্যে এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পথহারা কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. রওশন আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম ।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. নূরুল আলম। কর্মশালায় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ডাইরেক্টর ড. মো. রহিম উদ্দিন আহম্মেদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুদ্দিন প্রমুখ। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা জাহান।
কর্মশালায় প্রকল্পের সার্বিক কার্যাবলীর উপর বিশেষ বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সৈয়দ নূরুল আলম।
ড. সৈয়দ নূরুল আলম বলেন, কৃষকরা না জেনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কীটনাশক আমগাছে প্রয়োগ করে। এতে করে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়। আমের মুকুল আসার পর এবং আমের গুটি যখন মসুর দানা মতো হবে তখন নিদ্দিষ্ট পরিমান সঠিক কীটনাশক ব্যবহার করলে গাছে শতভাগ আম পাওয়া যাবে। যদি বেশি কীটনাশক প্রয়োগ করা হয় তাহলে উপকারী পোকাও মারা যায় এবং ক্ষতিকারক পোকাগুলো কীটনাশক প্রতিরোধোক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে হিতে বিপরীত হয়।
তিনি প্রকল্প সম্পর্কে বলেন, তিনবছর মেয়াদী আমের মুকুল ও গুটি ঝরে পড়া রোধে টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রধান প্রধান আম উৎপাদনকারী ১৪টি জেলায় কাজ করবে। প্রকল্পটিতে বাজেট ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
এদিকে দুপুর ১টার দিকে কর্মশালা দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। এতে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সৈয়দ নূরুল আলম উপস্থিত কৃষকদের প্রকল্পটির ব্যপারে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।
এসএইচ





