সুন্দরগঞ্জের সরকার দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার সময় নানা ঘটনা নিয়ে অবিশ্বাস ও প্রশ্ন উত্থাপন করেছে তার পরিবার।
বুধবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবার প্রশ্নগুলো তুলে ধরে লিটন হত্যাকাণ্ডের দ্রুতবিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এমপি লিটনের বড় বোন আফরোজা বারী। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন হত্যা মামলার বাদি এমপি লিটনের ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী ও স্বজনরা।
আফরোজা বারী বলেন, পরিবারের সদস্য হিসেবে হত্যা ঘটনার নানা অসংগতি তাদের চোখে পড়েছে। নিজ বাড়িতে মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ। সবার মনে প্রশ্ন খুনের জন্য লিটনের নিজ বাড়িটিকেই খুনিরা কেন নিরাপদ বলে বেছে নিল।
কিভাবে খুনিরা পরিচয় না দিয়েই ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ার সুযোগ পেল? তাছাড়া লিটনের সার্বক্ষণিক সঙ্গী অতন্দ্র প্রহরী জার্মান শেফার্ড কুকুর দুটো ওই সময়ে কোথায় ছিল? দুর্বৃত্তরা রিভলবারের ৫টি গুলি করার পরও কেন তার নিকটজনরা লিটনের কাছে এলো না? কেন লিটন গুলিবদ্ধি হবার পর কাউকে কাছে না পেয়ে দৌড়ে বাড়ির ভেতরে আঙ্গিনার দিকে ছুটে গেলো? এ ব্যাপারগুলো যেকোনো মানুষের কাছেই অবিশ্বাস্য ও রহস্যজনক মনে হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো প্রশ্ন রাখেন, কেন লিটনের ঘনিষ্ঠজন, দলীয় নিবেদিত নেতাকর্মী এবং পরীক্ষিত সহযোদ্ধারা কেউই তার পাশে ছিলেন না- তাদের কি দূরে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল?
তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কারা তদন্ত করবেন বা করছেন সেটি প্রধানমন্ত্রী নিজেই নির্ধারণ করবেন। এব্যাপারে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই।
এমপি লিটনের শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনের ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামলার বাদী ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা আগে লিটন হত্যাকারীদের আইনের আওতায় দেখতে চাই। পরে নির্বাচন নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে চিন্তা ভাবনা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চাচাত ভাই তৌফিকুর রহমান আইনী মুকুট, ফুফাতো ভাই আনিসুর রহমান, ভাগ্নি মেহের নিগার মামী ও চাচাতো বোন শিবলী আকতার।
জারিফ





