কমতে শুরু করেছে তাপ। অব্যাহত থাকবে আরো দুই দিন। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিরাজ করছে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা।

গত ২৭ জানুয়ারি সারা দেশে যে উত্তাপ ছিল তাতে মনে হয়েছিল ‘শীত বুঝি গেল’ কিন্তু এক দিনের ব্যবধানেই হ্রাস পাচ্ছে তাপ।

ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে নিয়ে আসা উপমহাদশেীয় উচ্চচাপ বলয় এ মুহূর্তে অবস্থান করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে।

গতকাল সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ মো. রুহুল কুদ্দুস জানান, আজ মঙ্গলবার এবং আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার দেশের ওপর দিয়ে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

তখন দেশের কোনো কোনো এলাকায় তীব্র শীত অনুভূত হতে পারে। এই শৈত্যপ্রবাহটি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, এটিই হতে পারে মৌসুমের শেষ শৈত্যপ্রবাহ। এরপর দেশে আর কোনো শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই। বিদায় নেবে শীত।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

এদিকে আজ সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। 

এএস