তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, সুন্দরবনের পাশে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিভিন্ন বিষয়ে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার করছে সরকার।
তবে মিথ্যাচার ও আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না। বরং আন্দোলনে দিন দিন যে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে, তাতে সরকার বাধ্য হবে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাতিল করে জনগণের দাবি মেনে নিতে।
মহাপ্রাণ সুন্দরবনের কাছে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে জাতীয় কমিটির হরতালে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, সরকার বিজ্ঞাপন দিয়ে এখনো মিথ্যাচার করছে। সরকার বলছে, রামপালে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। অথচ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জ্বলকান্তি ভট্টাচার্য বলেছেন, এ কেন্দ্রটি হবে সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির।
এ ছাড়া এ কেন্দ্রের ঋণদাতা সংস্থা ভারতের এক্সিম ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, ভারতের বাইরে এই প্রথম ভারতীয় সংস্থা ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন একটি সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে যাচ্ছে।
এত কিছুর পরও সরকার বিজ্ঞাপন দিয়ে বলছে এটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরো বলেন, সুন্দরবন বাঁচাতে সারা দেশে জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়েছে। যারা রাজপথে আসেনি, তারাও এ প্রকল্পকে সমর্থন করে না।
সমাবেশে জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে সরকারি বিজ্ঞাপন খণ্ডন করে উত্তর দেওয়া হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানজিম উদ্দিন খান, হরতালে পুলিশি হামলায় আহত জাতীয় কমিটির সংগঠক মিজানুর রহমান, বজলুর রশীদ ফিরোজ, সাইফুল হক, মোশাররফ হোসেন নান্নু, জোনায়েদ সাকি, মানস নন্দী ,সাজেদুল ইসলাম রুবেল, আকবর খান, শওকত হোসেন আহমেদ প্রমুখ।
এমবি





