বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী মরহুম মুহিতুল ইসলামের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ আসর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয় জানাজা বাদ মাগরিব মিরপুর ১৪ নম্বরের পুলিশ স্টাফ কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
এরপর লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়া হবে। আগমীকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় যশোরের মনিরামপুরে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর কাশেমপুরে গ্রামের বাড়িতে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন হবে।

গত জুলাই মাসে কিডনি জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি হন মহিতুল ইসলাম। দীর্ঘদিন কিডনীর সমস্যায় ভূগছিলেন তিনি। ফুসফুসের সংক্রামকও মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও ভালোভাবে কাজ করছিলনা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী মহিতুলের। শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশেই পাড়ি জমান মহিতুল ইসলাম।
প্রশঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালে তার রিসিপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ ছিলেন মহিতুল ইসলাম। ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময় ধানমণ্ডির ওই বাড়িতেই ছিলেন তিনি।
দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারে বাঁধা থাকলেও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে সে বাঁধা কেটে যায়। এর পর সে বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে মামলা করেন মহিতুল।
ওই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষে এরমধ্যে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। তবে এখনও পলাতক রয়েছে দণ্ডিত বেশ কয়েকজন। শেষ পর্যন্ত দেখে যেতে পারলেননা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দন্ড প্রাপ্তদের রায় কার্যকর। পাড়ি জমান পরপারে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
এসএম





