সাদুল্যাপুর উপজেলা পরিষদ ও ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য মোছা. মাহামুদা বেগমকে (৩৮) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
অন্তসত্তা এক নারীকে মারপিটের মামলায় জামিন নিতে গেলে আমলি আদালতের (সাদুল্লাপুর) বিচারক মনিরুজ্জামান শিকদার বুধবার বিকেলে এ নির্দেশ দেন।
পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাহামুদা বেগমের বিরুদ্ধে রাশেদা বেগম (৩০) নামে এক অন্তসত্তা গৃহবধূকে মারপিটের অভিযোগে আদালতে সিআর মামলা রয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা মাহামুদাকে ৩১৩ ধারায় অভিযুক্ত করে সম্প্রতি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
গত এক সপ্তাহ আগে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। বুধবার বিকেলে মাহামুদা বেগম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে আদালতের বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করেন। প্রসঙ্গত: ভিজিডি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মাহামুদা বেগম ধাপেরহাট ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের সুলতান মিয়ার স্ত্রী অন্তসত্তা রাশেদা বেগমের কাছে ৩ হাজার টাকা উৎকোচ নেন। এরপর ভিজিডি কার্ড দিতে তালবাহনা করেন মাহামুদা। ২৪ জুন টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য মাহামুদা গ্রাম পুলিশ লক্ষন চন্দ্রকে দিয়ে রাশেদাকে বাসায় ডেকে নিয়ে বেদমভাবে মারপিট করেন। এ ঘটনায় রাশেদার স্বামী বাদি হয়ে ৩০ জুন মাহামুদাসহ আরও ৩ জনেকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা করেন।
এমএ





