সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির আবদুল খালেক মণ্ডলকে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে তাকে গ্রেফতারের আবেদন জানানো হলে আদালত তাতে সম্মতি দেন। শুক্রবার এ বিষয়টি সাংবাদিকদের জানায় পুলিশ।

আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী পরিচালক আবদুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খালেক মণ্ডল নাশকতার এক মামলায় গ্রেফতার হয়ে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। এখন তাকে মানবতাবিরাধী মামলায় ফের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ২৫ আগস্টে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ জারি হয়েছে।

এর আগে ১৬ জুন মঙ্গলবার ভোরে তার বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর মহিলা মাদ্রাসায় নাশকতার লক্ষে কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে গোপন বৈঠককালে গ্রেফতার হন তিনি। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

জেলা জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা জামায়াতের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালীন রাজাকারবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে কয়েকটি হত্যাসহ হিন্দু পরিবারের জমি ও বাড়ি দখল করেন তিনি। ১৯৭১ সালে শিমুলবাড়িয়া গ্রামের রুস্তম আলিসহ পাঁচজনকে হত্যার দায়ে ২০০৯ সালের ২ জুলাই তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলা করেন রুস্তম আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম গাজি। মামলাটি এখনও আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রয়েছে।

এছাড়া একাত্তরে কাথণ্ডা গ্রামের আবুল হোসেন গাজি, একই এলাকার অহেদ আলি, বলদঘাটার সামসুর রহমান, খলিলনগরের মনসুর সরদার ও ঘোনা বাঁশিয়াপাড়ার তাহের আলির ছেলেকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

জেআই