জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে প্রথমবারের মতো মালি যাচ্ছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ব্যানএয়ার কন্টিনজেন্ট। এর অংশ হিসেবে দু’টি কন্টিনজেন্টে (ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিট-১ ও এয়ারফিল্ড সার্ভিসেস অ্যান্ড মেইনট্যান্স ইউনিট-১) ২৪০ জন বিমান বাহিনীর সদস্য এবং তিনটি এমআই ১৭ হেলিকপ্টার ও বিভিন্ন গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইক্যুপমেন্ট নিয়োগ করা হবে।
এরই মধ্যে অগ্রবর্তী বাহিনীর ১৬ জন সদস্য মালিতে অবস্থান করছেন। এই কন্টিনজেন্টের ১০৭ জন যাচ্ছেন আগামী ১৫ ডিসেম্বর। পর্যায়ক্রমে অন্য সদস্যরাও মালি যাবেন।
এ উপলক্ষে বিমান বাহিনীর বাশার ঘাঁটিতে মিশনের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল ইনামুল বারী।
বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, জাতীয় জীবনে অবদান রাখার পাশাপাশি বিমান বাহিনীর সদস্যরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ব শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
১৯৯৩ সাল থেকে জাতিসংঘের আহ্বানে বিশ্বের সংঘাতময় অঞ্চলগুলোতে শান্তিরক্ষা ও যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশগুলোতে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পেশাগত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার স্বাক্ষর রেখে দেশ ও জাতির জন্য বয়েছে বিরল সম্মান ও গৌরব।
বিভিন্ন সময়ে বিমান বাহিনীর চার হাজার ৫৭০ জন সদস্য ২৫টি মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ৫২৩ জন বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন। বিমান বাহিনীর ২৪০ জন তিনটি এমআই ১৭ হেলিকপ্টারসহ মিশনে যাচ্ছেন। হাইতিতেও আরেকটি দল প্রেরণের কাজ চলছে।
বিমান বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ইনামুল বারী বলেন, যাত্রার প্রাক্কালে শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবেন। আপনাদের অবহেলা ও দায়িত্বহীন কাজ আপনার সহকর্মী ও বাহিনীর সুনাম নষ্ট করতে পারে।
মালির আবহাওয়া আফ্রিকার অন্যদেশের চেয়ে ভিন্নতর। আফ্রিকা মহাদেশে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস রয়েছে। তবে এ রোগ থেকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী মুক্ত রয়েছে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থের সবটুকু দিয়ে মিশন সফল করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এমকে





