ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন ডা. আ স ম আব্দুছ ছামাদ বলেছেন, যক্ষ্মারোগ শনাক্ত হলে অবিলম্বে চিকিৎসা শুরু করতে হবে। যক্ষা রোগের চিকিৎসায় রোগীর কোনো খরচ লাগে না। সরকারই সমুদয় চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করে।
মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভা কক্ষে 'যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম : অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেছেন, বেসরকারি পর্যায়ে যক্ষ্মা রোগের কোনো চিকিৎসা করা হয় না। সরকার একজন যক্ষ্মা রোগীকে সুস্থ্য করতে তিন থেকে আট লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করে। দেশের সকল কমিউনিটি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
চলমান যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ব্র্যাক যৌথভাবে এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএমপিএম এর সাধারণ সম্পাদক ও বিএমএ নেতা এইচ গোলন্দাজ তারা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম খোকন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোশাররফ হোসেন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পরীক্ষিত কুমার পাল ও ব্র্যাক অ্যাডভোকেসির সমন্বয়কারি সারোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের জেলা ব্যবস্থাপক নাজমুল ইসলাম।
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এ জেড এম ইমামউদ্দিন মুক্তার সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রবীণ সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন আহমেদ, এ এইচ এম মোতালেব, জাহানারা বেগম প্রমুখ।
কেএইচ





