ঈদুল আজহা উপলক্ষে লঞ্চের অগ্রিম টিকেট পাওয়া যাচ্ছে। তবে এখনো সব লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়নি। লঞ্চ টার্মিনালে টিকেট প্রত্যাশীদের আনাগোনাও তেমন চোখে পড়েনি।

মঙ্গলবার দুপুরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, বেসরকারি লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত লঞ্চ কর্তৃপক্ষই নিয়ে থাকে।

ঢাকা-বরিশাল রুটের কয়েকটি লঞ্চ অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ লঞ্চে ঈদ উপলক্ষে অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয়নি। অগ্রিম টিকিট কেনার সময় যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার ‍দুপুরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে লঞ্চের অগ্রিম টিকিটের বিষয়ে খোঁজ নিতে আসা শফিক মিয়া বলেন, ‘অনেকগুলো লঞ্চ ঈদের অগ্রিম টিকেট বিক্রি করছে না। হাতেগোনা কয়েকটি লঞ্চ অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু করেছে। সেজন্য বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে। কেবিনপ্রতি ২০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।’

ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী এমভি মানিক-১ এর কাউন্টারে কর্মরত শরিফ মিয়া বলেন, ‘অগ্রিম টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে। আজ ১৭ তারিখের টিকেট বিক্রি করছি। ভালোই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।’

বাড়তি ভাড়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘ঈদে একমুখী চাপ থাকে তাই সামান্য বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।’

ঢাকা-আমতলী (বরগুনা) রুটে চলাচলকারী সুন্দরবন-৫ লঞ্চের টিকিট বিক্রেতা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘অন্য সময় আমাদের খুব বেশি চাপ থাকে না। তাই আমরা আগেভাগেই টিকিট বিক্রি করে দিচ্ছি। ইতিমধ্যে ২৪ তারিখ পর্যন্ত প্রায় সব কেবিন ভাড়া হয়ে গেছে।’

এদিকে ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-বরিশাল, চাঁদপুর, পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে আনফিট লঞ্চে স্পেশাল সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন মালিকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জসহ বিভিন্ন ডকইয়ার্ডে আনফিট লঞ্চে জোড়াতালি দিয়ে রঙ করা ও মেরামতের কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে রয়েছে।

রাত-দিন খেটে এসব লঞ্চ প্রস্তুত করা হচ্ছে দণিাঞ্চলের ঘরমুখী মানুষ বহনের জন্য। কিন্তু ঈদে ঘরে ফেরা কতটা নিরাপদ হবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

এমকে