চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি পণ্য আত্মসাতের হোতা আলম সওদাগরের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাত লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার ভোরে নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় আলম সওদাগরের বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ।
আলম সওদাগরসহ সিন্ডিকেটের ছয় সদস্যকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছিল বন্দর থানা পুলিশ।
এরপর আলমের দেয়া তথ্যমতে চুরি করা বৈদ্যুতিক তার বিক্রির সাত লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মো.কামরুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া সিন্ডিকেটের বাকি পাঁচ সদস্য হল, ট্রাকচালক মো. ইউসুফ আলী (৩৫) ও মো. অজিয়ুর রহমান মাস্টার (৪৫), শ্রমিক হামিদুল ইসলাম লাবু (৪৮), মো. ইউসুফ খান (৩৮) এবং মো বিল্লাল (৩৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সম্প্রতি ১ কোটি ৭২ লাখ ১৫ হাজার ৩৮০ টাকা মূল্যের সাড়ে ৪ হাজার মিটার বৈদ্যুতিক ক্যাবল (তামার তার) আমদানি করে এনার্জি প্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।
১৭ জুন ক্যাবলের এ চালানটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাসের পর গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার চান্দিনা চৌ-রাস্তার মোড়ে উল্কা সিনেমা হলের পাশে জয়দেবপুর ১৩২/৩৩ কেবি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
চালানটি নিয়ে যাওয়ার সময় গাজীপুরের কোণাবাড়ি ডিপোতে ঢোকানো হয় ট্রাকটি। সেখানে প্লাস্টিকের ড্রাম খুলে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ৯৪২ মিটার বৈদ্যুতিক তার আত্মসাত করে নেয় গ্রেপ্তার হওয়া ইউসুফ আলী’র নেতৃত্বে কয়েকজন।
২১ জুন এনার্জি প্যাকের কর্মকর্তারা তাদের পাওয়ার গ্রিডে কাজ করার জন্য ড্রাম খুলে দেখতে পায় সেখানে বৈদ্যুতিক তারের পরিমাণ কম।
এ ঘটনায় ওইদিনই নগরীর বন্দর থানায় একটি আত্মসাতের মামলা দায়ের করে এনার্জি প্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।
ওই মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আমদানি পণ্য আত্মসাতে জড়িত আলম সিন্ডিকেটের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এসএইচ





