চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এলাকায় গত বুধবার তেলবাহী মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনার দুদিন পার হলেও ক্ষতিগ্রস্ত দুটি লাইনের একটি এখনো সচল হয়নি। এতে যাত্রীবাহী ও মালবাহী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে।
রেললাইন সচল না থাকার কারণে সিলেট অভিমুখী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন ২৪ ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছে। রমজান মাসে বিলম্বে চলাচলের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফৌজদারহাট-বন্দর রেললাইনটি সচল করার কাজ করছেন। এ অংশে নতুনভাবে স্লিপার বসিয়ে রেললাইন স্থাপনের কাজ চলছে।
বেলা দুইটার দিকে জ্যেষ্ঠ উপসহকারী প্রকৌশলী কামাল হোসেন বলেন, ‘ঢাকামুখী (আপ লাইন) লাইনটি গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঠিক করা হলেও রাতে কোনো ট্রেন এ পথে যায়নি। আজ সকাল সোয়া নয়টার দিকে চট্টলা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম ছেড়ে যায়। বন্দর সংযোগ লাইনটি দ্রুত সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করি তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে সচল হবে।’
সহকারী সংকেত প্রকৌশলী এ বি এম শরীফ হোসেন বলেন, ট্র্যাক ফিট দিলে উভয় লাইনের সংযোগযন্ত্র বসানো হবে। কাজও একটু এগিয়ে রাখছেন বলে তিনি জানান।
ফৌজদারহাট রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহ আলম চৌধুরী বলেন, আজ রাতে বন্দরের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ সচল হতে পারে। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর থেকেই বন্দরের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল। তাই কোনো ধরনের পণ্য পরিবহন সম্ভব হয়নি।
ঢাকা, ১১ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





