কক্সবাজারের টেকনাফের স্থানীয় যুবলীগ নেতা খুনের ঘটনায় একটি রোহিঙ্গা শিবিরে হামলা চালায় শতাধিক বিক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা। এসময় তারা অস্থায়ী ঘরবাড়ি ও এনজিও অফিসগুলোতে ভাঙচুর করে।  

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) স্থানীয় বাসিন্দারা টায়ার এবং প্লাস্টিকের বাক্স জ্বালিয়ে টেকনাফ পৌরসভা থেকে লেদা পয়েন্ট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার সড়ক ৩ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন। রোহিঙ্গা নেতা নূর মোহাম্মদের বাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস জানান, হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা বেলা ৩টার দিকে অবরোধ তুলে নেয়।

ওসি দাস বলেছেন, “এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”  

কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আয়াছুর রহমান বলেন, “আমরা, বাংলাদেশিরা এখানে নিরাপদ নই।”

টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরায় বৃহস্পতিবার রাতে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে (৩০) গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত ফারুকের বড় ভাই ওসমান গণি অভিযোগ করেন, একদল রোহিঙ্গা তাঁর ভাইকে বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশের একটি পাহাড়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএমএস দোহা বলেন, “কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটল, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।”  

এমবি