নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় তিতাসের কোনো গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলী মো: আল মামুন।

শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।

এ সময় আল মামুন বলেন, “গ্যাস লিকেজ ও লাইন মেরামত না করার বিষয়ে মুসল্লিদের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।”

শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এশার নামাজের শেষের দিকে বিকট শব্দে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় প্রায় ৪০ জন দগ্ধ হন। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া আহত অন্য ব্যক্তিরা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

বিস্ফোরণে মসজিদে থাকা ৬টি এসি পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্যাস থেকেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আরেফিন।

রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আবদুল্লাহ আরেফিন বলেন, “মসজিদের সামনের গ্যাসের লাইনে লিকেজ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এসি চালানোর সময় জানালা বন্ধ থাকায় ওই গ্যাস ভেতরে জমা হয়ে যায়। হঠাৎ কেউ বৈদ্যুতিক সুইচ অফ-অন করতে গেলে স্পার্ক থেকে এই বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে তারা দ্রুত এখানে এসে আমাদের ধারণাকে নিশ্চিত করে। তারা জানায়, গ্যাসের লাইন থেকেই এ বিস্ফোরণ হয়েছে।”

এমবি