মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে বিমান দুর্ঘটনায় পড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট শামীমসহ আহত ১০ যাত্রীকে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট।

আজ (১০ মে) শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বিমানের ওই বিশেষ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

এরআগে আহতদের দেশে ফিরিয়ে আনতে আজ বিকাল ৩টার দিকে বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট ইয়াঙ্গুনের উদ্দেশে রওনা হয়। ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে পৌঁছায় বিকাল ৫ টার পর।

মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী জানিয়েছেন, বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ওই ১০জন ইয়াঙ্গুন থেকে দেশের পথে রওনা হবেন।

রাষ্ট্রদূত মঞ্জুরুল আরও জানান, বিশেষ ফ্লাইটে তাদের যাত্রার প্রক্রিয়া চলছে। তাদের মধ্যে ৬ জন যাত্রী এবং দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের চারজন ক্রু রয়েছেন।

তবে আহত যাত্রীদের মধ্যে কারা ফিরছেন, তা জানাতে পারেননি রাষ্ট্রদূত।

এর আগে শুক্রবার বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ বলেন, আহত আরোহীরা মিয়ানমারের দুটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তাঁদের সবাইকে আজ ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিমানের কথা হয়েছে।

আহত আরোহীদের মধ্যে পাইলট, কেবিন ক্রুসহ চারজন রয়েছেন। তাঁরাও বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন বলে জানান শাকিল মেরাজ।   

শাকিল মেরাজ জানান, আহত আরোহীদের মধ্যে অনেকে মিয়ানমারে চাকরি ও ব্যবসা করেন। তাই যেসব যাত্রী ফিরতে চাইবেন, তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ ও অনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে বিমানের বিশেষ ফ্লাইটি ঢাকায় ফিরবে।  

গত ০৮ মে (বুধবার) সন্ধ্যায় ইয়াঙ্গুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পড়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ‘ড্যাশ-৮’ উড়োজাহাজটি। দুর্ঘটনায় যাত্রীসহ ৩৩ আরোহীর সবাই প্রাণে বেঁচে যান। তবে তাঁরা কমবেশি আহত হন। রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়া উড়োজাহাজটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়ে তিন টুকরা হয়ে গেছে। উড়োজাহাজটি আর আকাশে উড়তে পারবে না।

বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারহাত হাসান জামিল গতকাল (০৯ মে) বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান, উড়োজাহাজটি আর দেশে আনা সম্ভব হবে না।   

এমবি