ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলাম।

সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফকালে তিনি এ কথা জানান।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সেনা মোতায়েনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেনা মোতায়েনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে দুই-তিন দিনের মধ্যে এটা চূড়ান্ত হবে।’

তবে এর আগে নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার বেলা ১২টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ সব নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। আগামী ২৬ থেকে ২৯ এপ্রিল অর্থা্ৎ নির্বাচনের দুই দিন আগে নির্বাচনের দিন ও তার পরের দিন সেনাবাহিনী মাঠে থাকতে পারে।’

তবে পরে জানা যায়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অপর এক কমিশনার সেনা মোতায়েনের পক্ষে মত দিলেও আরেক কমিশনার এর বিরোধিতা করেন। ফলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আচরণবিধি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনের জন্য একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ১২ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটির জন্য একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ১৯ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে ইসি। তারা সবসময় আমাদের জানাচ্ছে- কোথায় কী হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘যিনিই আচরণবিধি লঙ্ঘন করবেন, তাকেই আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি হোক মেয়র বা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।’

খালেদা জিয়াকে নির্বাচনী প্রচার করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ খণ্ডন করে  তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেআই