শত নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক. ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, ‘নির্বাচনের সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে আপনারা (নির্বাচন কমিশন) সমাজের কাছে দায়ী থাকবেন। ভবিষ্যতে এর মূল্য দিতে হবে।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে মঙ্গলবার বিকালে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গণতন্ত্রের সংকট ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার এমাজউদ্দীন আহমদ এ সব কথা বলেন। আলোচনার আয়োজন করে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফ্রন্ট।
এমাজউদ্দীন বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বৃহত্তর বা ক্ষুদ্রতর পর্যায়ে মিছিল, মিটিং ও সমাবেশের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। এগুলো নির্বাচনের অনুষঙ্গ। এর মাধ্যমে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে যান। এ সব বিষয় নিশ্চিত করা না গেলে তারা কিভাবে ভোট চাইবেন?’
বর্তমানে ‘হিটলারি কায়দায়’ দেশ চালানো হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা চিরদিন থাকে না। হিটলারও কিছুদিন এ ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু এরপর তাকে আর পাওয়া যায়নি। আশা করি, ক্ষমতাসীনদের এ বিষয়ে শুভবুদ্ধির উদয় হবে। কারণ জোর করে ক্ষমতায় থাকার পরিণতি ভালো হয় না।’
গত ২৫ মার্চ শত নাগরিক কমিটি’র প্রতিনিধি দল এমাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় বাড়ানোসহ ছয়টি দাবি জানান।
নির্বাচন কমিশনে দেওয়া দাবিগুলোর পুনরুক্তি করে এমাজউদ্দীন বলেন, ‘পরিবেশ তৈরি করতে কী করতে হবে সে বিষয়গুলো কমিশনকে বলেছিলাম। আল্লাহরওয়াস্তে এ কাজগুলো করুন। ভোটাররা যাতে নিশ্চিন্তে ভোট প্রয়োগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করুন।’
বৌদ্ধ ফ্রন্টের আহ্বায়ক প্রকৌশলী পুলক কান্তির সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী, পেশাজীবী নেতা প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. দিলীপ বড়ুয়া, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের শ্যামা ওবায়েদ প্রমুখ।
জেএ





