খুলনা প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) প্রশিক্ষক মো. মাহাবুব মোস্তফা (৩৬) কে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তারা হলেন একই প্রতিষ্ঠানের সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুস সালাম শিকদার (৫৭) ও নৈশপ্রহরী শহীদুল ইসলাম (৩৫)।

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ মিলেছে বলে জানায় সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম।

শফিকুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে জুম্মার নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে নগরীর পিটিআই মোড়ের সুলতানা হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতের গলির মধ্যে গুলি করে পিটিআই’র প্রশিক্ষ মো. মাহাবুব মোস্তফা কে হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় আহত মাহাবুব মোস্তফা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের নামে রাতেই সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- খুলনা প্রাইমারি টিচার্স ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুস সালাম শিকদার, উপ-পরিচালক একেএম গোলাম মোস্তফা ও কম্পিউটার সাইন্সের প্রশিক্ষ প্রভাষ কুমার বিশ্বাস।

ওসি আরও জানান, রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে খুলনা পিটিআই’র সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুস সালাম শিকদার ও নৈশ প্রহরী শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে আরো তথ্য পাওয়ার জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠিয়েছে ।

এদিকে গুলিবিদ্ধ মাহবুব মোস্তফার শারীরিক অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মো. মাহাবুব মোস্তফা হেঁটে নগরীর পিটিআই মোড় হয়ে বাসায় ফিরছিলেন। তিনি বাসার সামনে আসামাত্র একটি লাল রঙের মোটরসাইকেল যোগে দুজন হেলমেট পরিহিত সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে পেছন থেকে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। গুলির শব্দে পাশে থাকা লোকজন ছুটে আসতে লাগলে সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেল চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মামুন/জারিফ