মুন্সীগঞ্জ সদর থানারে অদূরে হরের গনকপাড়া এলাকায় পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে জিয়াউর রহমান (৩৫) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পুলিশ সন্ত্রাসী কানা সুমন (৩৪) ও জুয়েলকে (৩২) গ্রেফতার করেছে। গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল জিয়াকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সদর থানার এস আই মো. সৈকত হোসেন জানান, তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী কানা সুমনকে গ্রেফতার করতে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় কানা সুমন ও তার বাহিনী পুলিশের উপর গুলি চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলি কনস্টেবল জিয়াউর রহমানের বাম হাতের কনুইয়ের নিচে বিদ্ধ হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পুলিশ কানা সুমনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বন্দুকের ৯ টি কার্তুজ ও ১ কেজি গাজা উদ্ধার করেছে।
এস আই মো. সৈকত হোসেন আরও জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ গনকপাড়া এলাকায় চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ফকির জানান, সদর থানা পুলিশ গনকপাড়া এলাকায় একটি ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েছিল। এসময় সন্ত্রাসী কানা সুমনসহ ৩-৪ জন সন্ত্রাসীর সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে তা ধস্তাধস্তিতে গড়ায়। সন্ত্রাসীরা পুলিশ কনস্টেবল জিয়াকে গুলি করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি শুরু হয়। পুলিশ ৩ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ছোড়ে।
এদিকে এলাকাবাসী বলেছে, দুইপক্ষে অর্ধশতাধিক গুলি বিনিময় হয়েছে। এতে গনকপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানান, আসামি গ্রেফতার করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। সুমন ও জুয়েল নামের দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। এলাকায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জেআই





