রংপুরে যুবলীগ কর্মী ও পরিবহন শ্রমিক নেতা খুন হওয়ার প্রতিবাদে নগরীর সাতমাথা মোড়ে সড়ক অবরোধ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে তার সমর্থকরা।
সোমবার(১০ নভেম্বর) রাতে নগরীর সাতমাথা মোড়ে প্রতিপক্ষরা যুবলীগ কর্মী ইমরানকে কুপিয়ে জখম করে। পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করলে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৬ টায় ইমরান মারা যায়।
এ হামলায় রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং রংপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এমএ জলিলের ভাগ্নে আশরাফুল ও তার সহযোগীদের দায়ী করা হচ্ছে।
এদিকে, ইমরানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এমএ মজিদের বাসায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক
ভাঙচুর করেছে তার সহযোগীরা। একইসঙ্গে সকাল থেকে রংপুর-কুড়িগ্রাম সড়ক অবরোধ করে
বিক্ষোভ করছে তারা। বিক্ষোভের সময় একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও বেশ কিছু গাড়িতে
ভাঙচুরও চালায় ইমরানের লোকজন।
এসময় বেসরকারি টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই'র জেলা ক্যামেরাপারসন সুমনকে বেধড়ক পিটিয়ে
তার ক্যামেরা ছিনিয়ে আগুনেও পুড়িয়েছে ইমরান গ্রুপের লোকেরা।
ইআর





