মাণিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলায় ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কর্তৃক বে-আইনী সালিশের মাধ্যমে ধর্ষকের জরিমানা ধার্য্য করলেন ইউপি চেয়ারম্যান।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি মালেকা বানুর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় নিন্দা, গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ যথাযথ শাস্তির লক্ষ্যে ব্যবস্থাগ্রহণ এবং নির্যাতনের শিকার কিশোরীর সু-চিকিৎসা ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিবালয় ইউনিয়নের সামসুদ্দিন মোল্লার বখাটে ছেলে সুমন মোল্লা নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করে এবং পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী যৌতুকের লোভে অন্যত্র বিয়েতে বসে।

এ বিষয়ে নির্যাতনের শিকার কিশোরী সুমন মোল্লার পরিবারের কাছে প্রতিকার চাইলে চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বে-আইনী সালিশের মাধ্যমে ধর্ষকের জরিমানা স্বরূপ দেড় লাখ টাকা ধার্য্য করলে ক্ষোভে-অপমানে উক্ত কিশোরী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

বর্তমানে মুমূর্ষু অবস্থায় সে শিবালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে বলে মহিলা পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়।

বে-আইনী সালিশের মাধ্যমে বিচার বহির্ভূত শাস্তি বন্ধে মহামান্য সুপ্রীমকোর্টের রায়ের বাস্তবায়নের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টিআকর্ষণ এবং দেশব্যাপী বে-আইনী সালিশের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

এমএ/এআই