তীব্র তাপদাহে পুড়ছে যশোর অঞ্চল। আজও জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক শূন্য ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দু'দিনের দুর্বিসহ গরমে জনদুর্ভোগ বেড়েছে বহুগুণে। শুষ্ক প্রকৃতিতে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশুরা।

খাঁ খাঁ রোদে পুড়ছে গোটা যশোর জেলা।  শনিবার সকাল থেকেই সূর্যের বিচ্ছুরণে মধ্যবেলায় প্রকৃতি নেয় অগ্নিরূপ।

ভ্যাপসা গরমে এ অবস্থায় একটু প্রশান্তির আশায় অনেকই আশ্রয় নিচ্ছেন গাছের ছায়ায়। কেউ কেউ ভিড় জমাচ্ছেন সরবতের দোকানে। কাঠফাটা রোদে চিল-চাতকের মত হাঁসফাঁসে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবীদের জীবন।

কাজে বের হওয়া কয়েকজন শ্রমজীবী মানুষ বলেন, 'এই গরম আর প্রচণ্ড রোদে বাইরে কাজ করা খুবই কষ্টকর। '

দিনের মতো রাতেও গরম থাকায় ফ্যানের বাতাসও আনতে পারছে না প্রশান্তি। আর, এতে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন এমন একজন মা বলেন, 'এই গরমে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে; কাশি, শ্বাসকষ্টসহ নানা সমস্যায় ভুগছে।'

যশোরে শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ দশমিক শূন্য ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেআই