কোয়ালিশন অফ লোকাল এনজিও’স বাংলাদেশ – সিএলএনবি এর চেয়ারম্যান হারুনর রশীদ বলেছেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সফলতা কাজে লাগিয়ে দেশের ভিতরেও শান্তিরক্ষা করতে হবে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনের আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে বুধবার “জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সফলতা” শিরোনামে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সততা ও আত্মত্যাগের কারণে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার অর্জন করেছে। সততা, যোগ্যতা, সহমর্মিতা ও আত্মত্যাগের কারণে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, তাই সততা, যোগ্যতা, সহমর্মিতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশের ভিতরেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

হারুনর রশীদ বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সবচে বেশি শান্তি সেনা পঠিয়ে মর্যাদা কুড়িয়েছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাতও এটি। বর্তমানে বিশ্বের ১২২টি দেশের শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের ৯৫৯৩ জন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ওইসব দেশের ১৭টি মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষিরা নিয়োজিত আছেন।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি মো. আবদুল ওয়াদুদ আকন্দ, শ্রমিক নেতা মোকাদ্দেম হোসেন, লে. কর্ণেল (অব.) ড. আনোয়ার হোসেন, স্বাধীনতা পার্টির মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দিন, ভূমিহীন নেতা সুবল সরকার, কৃষক নেতা জায়ীদ ইকবাল খান, নারী নেত্রী নুরুন্নাহার মেরি, গার্মেন্টস নেত্রী লাভলি ইয়াসমিন, কামরুন্নাহার, জান্নাত ফাতেমা, শাহিদা সরকার, সুলতানা বেগম, উন্নয়ন কর্মী শামিম রেজা, ছাত্রনতা হাসান মঞ্জুর, মিহির বিশ্বাস, শামিমা আকতার শিরিন প্রমুখ।

এএইচ