নোয়াখালী সদর উপজেলা মাইজদী রেল স্টেশন আনসার ক্যাম্পে শালিশ বৈঠকে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আট জনকে আহত করেছে।

তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সালিশ ব্ঠৈক চলাকালে বিদ্যুৎ এর বাতি নিভিয়ে গত সোমবার রাত ৯টায় স্থানীয় সন্ত্রাসী স্বপন, রাফি ও রাকিবের নেতৃত্বে ৮/৯ জন হামলা চালিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।

আহতদের মধ্যে নুরুল ইসলাম কমান্ডার (৫৫), ইব্রাহিম খলিল (২২), আবদুস সাত্তার (৪৮), আবুল হোসেন (৫৫), কামাল হোসেন (৩২), বাদশা মিয়া (২৮), রাজু (২০) ও ওসমানকে (৫৮) রাতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তিকৃতদের মধ্যে ইব্রাহিম খলিল ও আবদুস সাত্তারের অবস্থা আশংকাজক।

এলাকাবাসী জানান, হরতাল, অবরোধে দুর্বৃত্তরা রেল লাইন উপড়ে ফেলার আশংকায় আনসার সদস্যারা স্টেশন সংলগ্ন ক্যাম্প করে পাহারা দিচ্ছে। গত তিন দিন আগে ওই সন্ত্রাসীরা আনসার ক্যাম্পের পাশে রেল লাইনে বসে রাত ১২টায় আড্ডা দেয়। টহলরত আনসাররা সন্দেহ ওই সন্ত্রাসীদের এখান থেকে অন্যত্র সরে যেতে একাধিকবার অনুরোধ করে।

এক পর্যায়ে ওই সন্ত্রাসীরা আনসার সদস্যেদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায়। দু'গ্রুপের মধ্যে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লে অপর আনসাররা এগিয়ে এলে ওই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

গত সোমবার স্থানীয় মাতাব্বরা দু'গ্রুপের মধ্যে সমঝোতা করতে আনসার ক্যাম্পে সালিশ বৈঠকে বসে। সালিশ বৈঠকের এক পর্যায়ে ওই সন্ত্রাসীরা উত্তেজিত হয়ে বিদ্যুৎ-এর বাতি নিভিয়ে আনসারদের উপর এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করলে লোকজন ছুটে আসে। তখন সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

এদিকে সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সালিশ বৈঠকে সন্ত্রাসীরা আনসারদের পিটিয়ে আহত করে। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি।

কেএইচ