ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জামায়াত-শিবিরের ৪৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। পুলিশের কাজে বাধা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও বিস্ফোরক দ্রব্য বহনের অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর মঙ্গলবার থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ জামায়াত-শিবিরের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বাদ আছর উপজেলা জামায়াতের আমীর রোকন মাওলানা কুতুব উদ্দিন ও সেক্রেটারি মো. এনাম খার নেতৃত্বে উপজেলা শহরের প্রধান মসজিদ (হাটখোলা জামে মসজিদ) থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়ায় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম, কনস্টেবল মো. ইউসুফ, জহির ও বশিরআহত হন।
উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম বাদী হয়ে ওই রাতেই জামায়াতের ১৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কালিকচ্ছ বাজারের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বুধবার সকালে জামায়াত নেতা মো. হাসান মিয়া ওরফে শাহের আলীকে (৩৭) গ্রেফতার করে পুলিশ।
এর আগে, মঙ্গলবার মিছিল থেকে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়ন শাখা জামায়াতের সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন (৩৫) ও কর্মী মো. শাহিন মিয়াকে (২৮) এবং রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আবদুল মওলা (৪৫) ও শাহবাজপুর ইউপি জামায়াতের সেক্রেটারি আলম মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সরাইল থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. আলী আরশাদ মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, তারা নাশকতার চেষ্টা করছিল। বাধা দেয়ায় আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হন।
কেএইচ





