দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন নাজমুল আলমসহ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক।

বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দেখা হবে।

অভিযোগ উঠেছে, বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন নাজমুল আলম ও সুপারিন্টেন্ডেন্ট লাইট এন্ড মুরিং(এসএলএম) ইফতেখার উদ্দিন নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে বন্দরের টাকা অপচয় করছেন।

নির্দিষ্ট চারটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বন্দরের ডিসি বিভাগের সব কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। এই চার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্যাপ্টেন নাজমুল আলমের ভাইয়ের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সূত্র জানায়, চার প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান টেন্ডারে অংশ নিতে পারে না। আইন না মেনে নিজেদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিয়ে থাকেন তারা।

ক্যাপ্টেন নাজমুল আলমের ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান জিলানী এন্টারপ্রাইজ এর মধ্যে অন্যতম। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই মূলত বিভাগের কাজ করান নাজমুল আলম।

এদিকে ক্যাপ্টেন নাজমুল আলম ও ইফতেখার উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্চারিতার অভিযোগ করেছে মেসার্স শামস মেরিন সার্ভিসেস নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। বুধবার এই চিঠি বন্দরের সচিব বিভাগ গ্রহণ করেছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে এসএলএম ইফতেখার উদ্দিনের রুমের সামনে টেন্ডার শিডিউল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটানো হয়।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ক্যাপ্টেন নাজমুল আলমের মোবাইলে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এমকে