সুনামগঞ্জে কালবৈশাখীর ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতে ২ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ৭৫টি গবাদি পশু মারা গেছে। বিধ্বস্ত হয়েছে ৫ শতাধিক কাঁচা ঘর বাড়ি।
বৃহস্পতিবার সকালে কালবৈশাখি ঝড়ের সময় এ ঘটনা ঘটে। প্রায় ৩ হাজার একর ইরি ও বোরো জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।
নিহতরা হলেন, দোলেনা বেগম (২৫) ও মো. বাচ্চু মিয়া (৩০)। দোলেনা বেগম দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের মো. জুয়েল মিয়ার স্ত্রী। আর বাচ্চু মিয়া দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ধরমপুর গ্রামের মনফর আলীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও নিহতদের আত্মীয় স্বজন জানায়, সকাল সাড়ে ১১টায় প্রচ- কাল বৈশাখীর ঝড়ে একটি গাছ দোলেনা বেগমের টিনসেটের ঘরে পড়ে গেলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ধরমপুর গ্রামের পাশে হাওরে ধানা কাটা অবস্থায় বজ্রপাতে নিহত হয় বাচ্চু মিয়া। এ সময় ১০জন আহত হয়। জামালগঞ্জ উপজেলায় দু’শিক্ষার্থী আহত হয়।
এদিকে কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নের শরিফপুর, বুতিয়ারপুর, সুজাতপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের টাইলা, দূর্গাপুর, ঠাকুরভোগ, উপ্তিরপাড়, মৌখলা ও দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, শ্রীনারায়নপুর, সাকিতপুরসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের ৫ শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ল-ভ- হয়ে গেছে। প্রায় ৩ হাজার একর ইরি ও বোরো জমির ফসল বিনষ্ট হয়েছে।
পাশাপাশি ঝড়ের কবলে পড়ে জামালগঞ্জের উদয়পুর গ্রামে ৭০টি ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জের টাইলা গ্রামে আরো ৫টি গরু মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম জানান, কালবৈশাখি ঝড়ে বেশ কিচু কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্থ ও গবাদিপশু মারা গেছে।
এসএইচ





