ফরিদপুরের সালথায় চাঁদার টাকা ফেরতের দাবিতে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল হাসান খান সোহাগের বাড়ি ঘেরাও করেছে বিক্ষুব্ধ জনগণ।
সোমবার সকালে ওই ইউনিয়নের কয়েক হাজার বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি ঘেরাও করে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।
পুটিয়া গ্রামের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবু সালেহ মো. খুশবু অভিযোগ করে বলেন, সোহাগ ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন সময়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জোর করে কয়েক কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেন।
সোহাগের সহযোগী হিসেবে বাচ্চু, সামাদ, আহাদ, ইলিয়াস, ইকরাম, কামাল, কানাই, বলাই, সেকেন, সাধু ও সঞ্জয়ের নাম বলেন খুশবু।
তিনি জানান, সকালে চাঁদা দিতে বাধ্য হওয়া পুটিয়া, খাগৈড় ও গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দারা টাকা ফেরতের দাবিতে সোহাগ চেয়ারম্যানের বাড়ি ঘেরাও করে।
এতে হানিফ মাতুব্বর, দেলোয়ার মোল্লা, ইদ্রিস মোল্লা, লুৎফর মোল্লা, সমির শেখ, বাবলু মোল্লা, মজনু মোল্লা, আলেপ খাঁ, নাজির শাহ, রাশেদ মাতুব্বর ও ছত্তার মাতুব্বর নেতৃত্ব দেন।
পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানান সাবেক ছাত্রলীগ নেতা খুশবু।
এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে 'একেবারেই মিথ্যা' বলে দাবি করেছেন শহিদুল হাসান খান সোহাগ।
তিনি বলেন, আমি সাবেক চেয়ারম্যান মলয় বোস হত্যা মামলার এক নম্বর সাক্ষী। আমার সাক্ষ্যে আসামিদের সাজা হয়েছে। তাদের লোকজন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে।
সোহাগ দাবি করেন, আসামি পক্ষের লোকজন সোমবার সকালে লাঠিসোটা নিয়ে তাকে হত্যার জন্য বাড়ি ঘেরাও করে।
তিনি বলেন, আমার লোকজন প্রতিরোধ করলে এবং পুলিশ আসলে তারা পালিয়ে যায়। বর্তমানে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
সালথা থানার ওসি একেএম আমিনুল হক বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ি ঘেরাও হয়েছে এ খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
এমই





