গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণ করে দেশের পানির চাহিদা পূরণে আশুব্যবস্থা গ্রহণ, ভারতের পানি আগ্রাসন প্রতিরোধ, সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং সার্বভৌমত্বের লংঘন বন্ধ করতে জাতিসংঘ সহ বিশ্ব ফোরামে সোচ্চার হওয়ার দাবি করেছে নাগরিক পরিষদ।
মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে নাগরিক পরিষদের আহবায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা এসব দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, ভারত ফারাক্কা, গজলডোবা, টিপাইমুখ বাঁধ সহ অসংখ্য বাঁধ দিয়ে আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করছে। আর আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প গ্রহণ করে ভাটির দেশ বাংলাদেশকে মরুভূমিতে রূপান্তরের পাঁয়তারা করছে।গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণ করে দেশের পানির চাহিদা পূরণে আশুব্যবস্থা গ্রহণ অত্যাবশ্যক।
বক্তাগণ আরো বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ভারতকে নৌ-ট্রানজিট প্রদান করে। বিশেষজ্ঞগণ মেঃটন প্রতি ১০৫৮ টাকা ট্যাক্স নির্ধারণের কথা বললেও সরকার ১৯২ টাকা ট্যাক্স নির্ধারণ করে। যা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী। ভারত বাংলাদেশের সাথে যে আচরণ করে তাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তর দিয়ে ভারতের ট্রানজিট দেয়া স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকি। একবার ট্রানজিট দিলে তা বন্ধ করা হবে দূরূহ।
বক্তাগন সরকারের সমালোচনা করে প্রশ্ন করেন, কোন আলোচনা ছাড়া জাতিকে অন্ধকারে রেখে জাতীয় স্বার্থ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী চুক্তি কার স্বার্থে ? তারা যে কোন ধরনের ট্রানজিট চুক্তি থেকে বিরত থাকতে সরকারের নিকট আহবান জানানতারা যে কোন ধরনের ট্রানজিট চুক্তি থেকে বিরত থাকতে সরকারের নিকট আহবান জানান ।
বক্তাগণ নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বর্জন করে সরকারকে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে আহবান জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দীন সাথী, দার্শনিক আবু মহি মুসা, দুর্নীতি প্রতেরোধ আন্দোলনের আহবায়ক হারুনূর রশিদ খান, শ্রমিকনেতা সামসুল আলম, শ্রমিকনেত্রী কামরুন্নাহার, মানবাধিকার কর্মী মোঃ হানিফ।
ইআর





