ডুবোচরে আটকে পড়া এমভি সাত্তার খান-১ লঞ্চটিকে দুই দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে উদ্ধারকারী যান লঞ্চটিকে উদ্ধার করে। বর্তমানে লঞ্চটিকে চাঁদপুর লঞ্চঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক ও চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তা মোবারক হোসেন উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী যান এমভি অগ্রবাহক ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজেই আটকা পড়ে। ফলে উদ্ধার কাজ শুরু না করেই ১৯ ঘণ্টা পর রোববার সকাল ৯টায় অগ্রবাহক ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে।
তবে শনিবার বিকল্প ব্যবস্থায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া হয়।
রোববার সকালে বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক ও চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তা মোবারক হোসেন জানান, আটকেপড়া লঞ্চটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ডুবোচরের কারণে উদ্ধারকারী যান লঞ্চটির কাছে যেতে পারেনি। ঘটনাস্থলে পানি কম থাকায় উদ্ধারকারী জাহাজটি যেতে না পেরে রোববার সকালে ফিরে গেছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি লঞ্চ মালিক কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ড্রেজিং করে আটকেপড়া লঞ্চটিকে উদ্ধার করবেন। এ কারণে এমভি সাত্তার খান উদ্ধারে আরো ২-৩ দিন সময় লেগে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এমভি সাত্তার খান লঞ্চটি সাত শতাধিক যাত্রী নিয়ে শুক্রবার রাত ১২টায় চাঁদপুরের হাইমচরের ঈশানবালায় ডুবোচরে আটকা পড়ে।
১২ ঘণ্টা পর বিআইডব্লিউটিএ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় এমভি রফরফ নামে আরেকটি লঞ্চ শনিবার দুপুর ১২টায় যাত্রীদের উদ্ধার করে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে নিয়ে আসে।
ওই দিন বিকেলে সাত্তার খান কোম্পানির আচল-২ নামের আরেকটি লঞ্চ ঢাকা থেকে এসে যাত্রীদের গন্তব্যস্থল পটুয়াখালী নিয়ে যায়।
ঢাকা, ২৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





