আমাদের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। যা দ্বারা উপকূলবাসীরা উপকৃত হবে। তাই প্রথমেই দেশের উপকূল রক্ষা করতে হবে, তবেই বাংলাদেশ বাঁচবে। তাহলেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাইঞ্জে কোস্টট্রাস্ট আয়োজিত ‘ঘূর্ণিঝড়-৯১ স্মারণ ও উপকুলীয় ভুমি সুরক্ষা’ এক আলোচনা সভায় বক্তারা এমন মন্তব্য করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাংসদ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও আমলারা নিজের দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিতে দ্বিধাবোধ করেন না। কিন্তু পার্শবর্তী দেশ ভারতের চিত্র একবারেই ভিন্ন। তারা নিজ দেশের স্বার্থ পরিপন্থী কিছুই করে না।’
উপকূলের সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দেশের উপকূল রক্ষায় বিদ্যমান ব্যবস্থাগুলোর মাঝে যে সকল সমস্যা আছে, সেগুলোকে চিহিৃত করে সমাধান করতে হবে। আর এজন্য সবার আগে প্রয়োজন আমাদের নৈতিক পরিবর্তন হওয়া।’
আমাদের দেশ দূর্যোগ ব্যবস্থায় এগিয়েছে দাবি করে জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, ‘বাংলাদেশ দূর্যোগ প্রতিরোধে অনেক এগিয়েছে বলেই আমরা আগেই জনগণকে সতর্ক করতে পারি। দূর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের সক্ষমতাও বেড়েছে।’
এ সময় তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সমাজে ‘বেদে’ নামে একটি অবহেলিত সম্প্রদায় আছে।তাদের কথা আমাদের সবাইকেই ভাবতে হবে।আর এ জন্য দেশের সকল এনজিও এবং সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।’
সাইক্লোন উপকূলীয় সাইক্লোন সেল্টারগুলোতে যেসব থাকার রুম করা হয় তা মোটেই থাকার উপযোগী নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এসব উপকুলীয় সেল্টার গুলোতে যেসব রুম আছে তা মাত্র দুই মিটার। যেখানে থাকা কষ্টকর। তাই তিনি এসব ডিজাইন পরিবর্তন করে নতুন ডিজাইন করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কোস্ট স্ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মোস্তফা কামাল আকন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি চৌধুরী মো. মাসুম, নইম গওহর, ৯১-সাইক্লোনের শিকার জাহেদ ইকবাল খান, জাহিদ হোসেন, মানিক শাহ প্রমুখ।
এমএ/এসএইচ





