শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, রাজধানী ঢাকাকে বাঁচাতে সব শিল্প-কারখানা ঢাকার বাইরে স্থানান্তর করা হবে।
রোববার দশম জাতীয় সংসদের সপ্তম অধিবেশনে কুমিল্লা-১ সংসদীয় আসনের মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার লিখিত প্রশ্নোত্তরে সংসদকে এ তথ্য জানান শিল্পমন্ত্রী।
শিল্পমন্ত্রী জানান, ঢাকাকে বাঁচাতে সব শিল্প-কারখানা ঢাকার বাইরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা আছে।
ইতিমধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) আওতায় রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্পের জন্য ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার কান্দিবৈলারপুর ও কেরানীগঞ্জ উপজেলার চরনারায়ণপুর মৌজাধীন ১৯৯ দশমিক ৪০ একর জমির ওপর পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরী স্থাপন করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে ওই শিল্পনগরীতে চামড়া শিল্প-কারখানা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরো জানান, ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধবহীনভাবে গড়ে ওঠা প্লাস্টিক ও মুদ্রণ শিল্পকে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব স্থানে স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) আওতায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় প্লাস্টিক শিল্পনগরী এবং মুদ্রণ শিল্পনগরী স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা থেকে কেমিক্যাল মজুদাগার/কারখানা দ্রুত সরানোর জন্য বিসিকের আওতায় কেরানীগঞ্জ উপজেলাধীন সোনাগান্ধা মৌজায় কেমিক্যাল পল্লী স্থাপনের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।
এছাড়াও ইলেকট্রিক্যাল গুডস ম্যানুফেকচারিং শিল্পনগরী স্থাপনের বিষয়টি পরিকল্পনাধীন আছে।
অপরদিকে, ঢাকা শহরের অদূরে কেরানীগঞ্জ, ধামরাই, তারাবোতে জামদানি শিল্পনগরী, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পঞ্চবটিতে হোসিয়ারি শিল্পনগরী স্থাপন করা হয়েছে।
কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসনের তাজুল ইসলামের অপর এক প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আমু জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের আওতায় ১৫টি চিনিকলের বার্ষিক উৎপাদনের ক্ষমতা ২ লাখ ১০ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন।
আখ প্রাপ্তিসাপেক্ষে গড়ে প্রায় ১ লাখ মে.টন চিনি উৎপাদিত হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদিত চিনি দিয়ে দেশের চাহিদার প্রায় সাত থেকে আট শতাংশ মেটানো সম্ভব হয়।
বেসরকারি খাতে স্থাপিত পাঁচটি রিফাইনারিতে উৎপাদিত চিনি দ্বারা অবশিষ্ট চাহিদা মেটানো হয়।
এসএইচ





