বগুড়ার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঁইয়া বিপিএম এর কঠোর নির্দেশ ও দিক নির্দেশনায়, সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী এর সার্বিক তত্বাবধানে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়া দেশের ন্যায় বগুড়া জেলা তথা সদর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চলছে। তেমনি উপশহর পুলিশ ফাঁড়ি মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য একটি আতংকের নামে পরিণত হয়েছে।
প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হচ্ছে মাদক। অনেক মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রির কৌশল বদলিয়েও শেষ রক্ষা হচ্ছেনা তাদের। পালাতে পারছেনা পুলিশের হাত থেকে।
আবারো উপশহর ফাঁড়ির সফলতার থলিতে যুক্ত হলো আরো একটি সফল অভিযান। শেষ রক্ষা হলোনা এরুলিয়া এলাকার চিহ্নিত ও কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মিলন পাইকাড় (৪৩) এর। ধরা খেল ১২০ পিস ইয়াবা সহ। গ্রেফতার হওয়া মিলন এরুলিয়া ও চারমাথা এলাকায় কৌশলে মাদক বিক্রি করে আসছিলো। সে সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের পলিবাড়ি গ্রামের মৃত মূসা মিয়ার পুত্র।
এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত্রি সোয়া ১টা নাগাদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে আসামী মিলন মাদকদ্রব্য বিক্রির জন্য চারমাথা এলাকায় অবস্থান করছে।
খবর পেয়ে উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এসআই আব্দুল গফুর, এএসআই মহুবার রহমান, এএসআই মেহেদী হাসান, এটিএসআই সোহেল রানা সহ একদল পুলিশ চারমাথা এলাকায় অভিযান চালায়। ধৃত মিলন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। এসময় তার দেহ তল্লাশী করে পরনের লুঙ্গির কোচার ভাঁজের ভেতর প্লাষ্টিকের মোড়কে লুকিয়ে রাখা ১২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। তৎক্ষনাৎ তাকে গ্রেফতার করে এবং এসআই আব্দুল গফুর বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা রুজু করে সদর থানায় প্রেরণ করে।
অভিযানের ব্যাপারে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, “মাদক ব্যবসার সাথে যারাই জড়িত থাকবে তাদেরকেই আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় নেই। হয় তাদের মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে নতুবা তাদের আইনের মুখোমুখি হতেই হবে”।
এম আই মিরাজ/এসএম





