জানুয়ারি মাস থেকে নতুন উদ্যোগে ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে। ৩১ কোটি ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। এ পর্যন্ত ১৭ কোটি হাতে চলে এসেছে এবং ১২ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭ কোটি প্রথম ডোজ এবং ৫ কোটি দ্বিতীয় ডোজ। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে করোনার ভ্যাকসিন প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দেওয়া হবে। দেশের ১৪ হাজার ওয়ার্ডের ২৮ হাজার বুথে একযোগে করোনার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা আক্রান্তদের জন্য আজ থেকে দেশে রেটিনোভির ও নির্মাট্রেলভির নামের দুটি ওষুধ বাজারজাত করা হচ্ছে। এই ওষুধ দুটি করোনা আক্রান্তদের জন্য ৮৮ ভাগ কার্যকর। এটি ১২ বছরের অধিক বয়সীদের জন্য। ওষুধ দুটি করোনা ভ্যাকসিনের কোনো বিকল্প নয়। যারা আক্রান্ত হয়নি তারা ভ্যাকসিন নিবেন। আর যারা আক্রান্ত তারা এই ওষুধ সেবন করবে।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে ওমিক্রন শনাক্তের সংখ্যা কম থাকলেও এখন তা বেড়ে যাচ্ছে। কয়েক দিন আগে সংখ্যা ছিল ২০০ থেকে ২৫০ জন। কিন্তু আজ সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪০০। করোনার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তবে একেবারে চলে যায়নি। এ কারণে মুখে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মহীউদ্দীনসহ অনেকে।

এমআর