জাতীয় প্রেসক্লাবের ভেতরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী এবং জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক নেতা রুহুল আমিন গাজী পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. এজেএম জাহিদ, বিএফইউজের সভাপতি শওকত মাহমুদসহ অর্ধশতাধিক নেতা অবস্থান নিয়েছে।

জাতীয় নেতাদের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী সমর্থিত সাংবাদিক এবং পেশাজীবী নেতারাও বিকেল ৩টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভেতরে অবস্থান নিয়েছেন। তারা পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত প্রেসক্লাবের ভেতরই থাকবেন বলে জানান  মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর।

কারণ জাতীয় প্রেসক্লাবের বাইরে উৎপেতে থাকা কয়েকশত পুলিশী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের পাশাপাশি  সরকার সমর্থিত  অওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের উর্শংখল নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছে। তারা  প্রেসক্লাবের বাইরে অবস্থান নিয়েও ভেতরে রয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাংবাদিক নেতা কর্মীরা। শুধু তাই নয় প্রেসক্লাবের গেটের বাইরে শতাধিক মোটরসাইকেলে বিকেল থেকে মহড়া দিচ্ছেন অর্ধশতাধিক যুবলীগের নেতা-কর্মী।

জানা যায়, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের হল রুমে  সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ব্যানারে সমাবেশে হয়েছে। আর ওই সমাবেশে অংশ নেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  সমাবেশ শেষে তিনি পেশাজীবী নেতাদের নিয়ে প্রেসক্লাবের ভেতরে প্রবেশ করেন

আর ওই সময় প্রেসক্লাবের ভেতরে অবস্থান নেয়া আওয়ামীলীগ সমর্থিত সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএফইউজের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব আবদুল জলিল ভূইয়া. শফিকুর রহমান এবং  ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবান মাহমুদের নেতৃত্ত্বাধীন সমাবেশ চলতে থাকে।

পুলিশের সামনেই এক পর্যায়ে প্রজন্মলীগের বহিরাগত সন্ত্রাসীরা লাঠি নিয়ে গেট টপকিয়ে প্রেসক্লাবের ভেতরে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা জাতীয়তাবাদী নেতা ও সাংবাদিকদের উপর হামলা চালায়। পরে ইকবাল সোবহানের হস্তক্ষেপে প্রজ্মলীগের লাঠি ধারীরা প্রেসক্লাব থেকে  বেরিয়ে যায়।

এখনো প্রেসক্লাবের সরকার-সমর্থক সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপেদষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান করছেন।

সব মিলিয়ে প্রেসক্লাবে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পেশাজীবী সংগঠনের কয়েক নেতা ও প্রেসক্লাবের কয়েকজন কর্মচারী আহত হয়েছেন।

এদিকে যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে প্রেসক্লাবের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ভেতরে রয়েছেন সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা।

 

 

একে