৪৮ ঘন্টার মধ্যে কোরবানীর বর্জ্য অপসারণের কথা বলেছিল ঢাকা সিটি কপোরেশন। কিন্তু ঈদের পরের দিনও অনেক স্থানে কোরবানি হচ্ছে। একারণে বর্জ্য অপসারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে।
সিটি কপোরএরশন কর্তৃপক্ষ বরছেন, সবার সহযোগিতায় ঘোষিত সময়ের মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব। ঈদের দিন দুপুর ২টার দিকে বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারাগাঁও পশু হাট থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশেনের (ডিএনসিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন দীপন কুমার সাহা বলেন, বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বিভাগীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
কোরবানির পশুর হাট ও পশু জবাইয়ের বিভিন্ন স্থানে ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হচ্ছে। বর্জ্যের কারণে যাতে দুর্গন্ধ না হয়, সেজন্য ছিটানো হচ্ছে স্যাভলন ও সুগন্ধি মিশ্রিত পানি। দ্রুত বর্জ্য অপসারণে প্রতিটি অঞ্চলে ভ্যানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
দ্রুত বর্জ্য পরিষ্কার করতে নিয়মিত কর্মীদের সাথে আরও ৩৪০ জন অতিরিক্ত কর্মী কাজ করছেন। এ কাজের জন্য ডিএনসিসির ৫৭টি ট্রাকের পাশাপাশি ১০টি অতিরিক্ত ট্রাকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দীপন জানান, ২৪টি ডাম্পার, আটটি পে-লোভার, তিনটি টায়ার ডোজার, সাতটি পানির গাড়ি, দু’টি প্রাইম মুভার, দু’টি ট্রেইলর ও চারটি ডোজার বর্জ্য অপসারণের কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ বর্জ্য অপসারণে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেধে দিয়েছিল। এই বেধে দেয়া সময়ের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হবে। ইতিমধ্যে ৮০ শতাংশ বর্জ্য অপসারণ করা হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনসার আলী খান জানান, কোরবানীর বর্জ্য অপসারণে সেনা বাহিনী, নৌ-বাহিনী ও ঢাকার পানি সরবারহ এবং নর্দমা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (ওয়াসা) আমাদের সহায়তা দিচ্ছে।
ঘোষিত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হবে। রাজধানীকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে করপোরেশনের নিজস্ব সাত হাজার কর্মীর পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে ১২ জন করে অতিরিক্ত লোক বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জেইউ





