ঢাকায় সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এবারের সফরে দুদেশের মধ্যে কূটনীতিক ও সরকারি পাসপোর্টে বিনা ভিসায় যাতায়াতের বিষয়ে চুক্তি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিষয়ে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, দুই দেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা, ফরেন সার্ভিস একাডেমি ও কৌশলগত বিষয়ে সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হবে।

এ ছাড়া সাংস্কৃতিক সহযোগিতার বিষয়ে আগে সই হওয়া একটি চুক্তি নবায়ন করা হবে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা, স্বাধীনতা-পূর্ব অভিন্ন সম্পদে বাংলাদেশের অংশ হস্তান্তর ও আটকেপড়া পাকিস্তানিদের ফেরত নেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় আসবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

এর আগে ২০১২ সালে সর্বশেষ পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন হিনা রব্বানি খার। ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে ওই সময় ঢাকা সফর করেছিলেন তিনি।

গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছরের আগস্টে হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে বেশকিছু অগ্রগতিও হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির অনুমতি দিয়ে পাকিস্তানি পণ্যের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞাও তুলে নিয়েছে এবং সমুদ্রপথে দুই দেশ সরাসরি বাণিজ্যও শুরু করেছে।

এনএইচ