বাঁচার জন্য অনেক আকুতি করেছিলেন। সর্বশেষ মসজিদে গিয়েও ঢুকলেন। তারপরেও প্রতিপক্ষরা তাকে রেহাই দেয় নি। মসজিদে ভিতরে পিটিয়ে রেখে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এভাবে বর্বরোচিত হত্যাকণ্ডের শিকার হন নুরুজ্জামান। বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদিনী মণ্ডল ইউনিয়নে। জলশদিয়া গ্রামের হাছেন মোল্লার ছেলে। ইলিশ পরিবহনের যাত্রাবাড়ি কাউন্টারে কাজ করতেন তিনি।

লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে মাসুম নামে এক ব্যক্তি তার সহযোগীদের নিয়ে নুরুজ্জামানের ওপর হামলা চালায়। এসময় নিজেকে রক্ষা করতে দৌড়ে জশলদিয়া পদ্মা সেতু পুনর্বাসন প্রকল্পের মসজিদে আশ্রয় নেন তিনি।

কিন্তু হামলাকারীরা মসজিদের ভেতরে ঢুকে লাঠিপেটা করে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

জেড