কক্সবাজারে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু। এর প্রভাবে কক্সবাজার উপকূল দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে ও ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকায় গাছ-পালা ও কাঁচা ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া ও টেকনাফ উপজেলার অন্তত ১৫টি ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে জানিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, শনিবার সকাল থেকেই এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হয়েছে।
এখনো পর্যন্ত জানমালের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, উপকূলবর্তী ইউনিয়নের লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হয়েছে। তাদের শুকনো খাবার দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের লোকজন ‘রোয়ানু’ মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে ডিসি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি কক্সবাজার থেকে এখনো ৮০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এখানে আঘাত হানতে আরও দুই থেকে আড়াইঘণ্টা লাগবে।
তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বৃষ্টির সঙ্গে বাড়ছে জোয়ারের পানি। ফলে কক্সবাজার জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় ভাঙছে বেড়িবাঁধ।
এমই





