পূজা ও ঈদের ছুটি শেষে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার কয়েক হাজার মানুষ ঢাকার উদ্দেশে শুক্রবার সকাল থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে আটকে পড়ে রয়েছেন। নদীপারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ শত শত বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।

ফেরিঘাটের জিরোপয়েন্ট থেকে মহাসড়কের ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা পর্যন্ত চার কিলোমিটার রাস্তার একপাশে গাড়ির দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিরিয়ালে আটকে থাকা সাধারণ বাসযাত্রীরা এসময় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।  

আমাদের সঙবাদদাতা জানান, ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের ক্যানেলঘাট এলাকা পর্যন্ত  প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তায় বিভিন্ন গাড়িরলাইন।

পূজা ও ঈদ শেষে মানুষ কর্মস্থলে ছুটছে। কর্মমুখো মানুষের বয়ে আনা বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ শত শত বিভিন্ন গাড়ি নদীপারের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে। গাড়ি কখন ফেরির নাগাল পাবে তা তারা বলতে পারছেন না।

এদিকে, দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে আটকে থাকায় সাধারণ যাত্রীদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এসময় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহান নারী ও শিশু যাত্রীরা। লঞ্চঘাটেও যাত্রীদের ঢল নামে।

দৌলতদিয়া ঘাটে এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমান এ নৌরুটে মোট ১৬টি ফেরি সার্বক্ষণিক ভাবে সচল রয়েছে। রুটে অপর রোরো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিকল হয়ে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে সেটি মেরামতের চেষ্টা করেও সচল করা যায়নি। ফেরিটি এখন নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পাঠানো হবে। এছাড়া ইউটিলিটি ফেরি চন্দ্রমল্লিকা স্থানীয় কারখানা মধুমতিতে মেরামতে রয়েছে।
একে